
নিজস্ব প্রতিবেদক : কালিগঞ্জ উপজেলায় রাজনৈতিক দক্ষতা আর জনপ্রিয়তায় বিএনপি নেতাকর্মীদের কাছে মধ্যমণি হয়ে উঠেছে কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী বর্তমান কৃষক দলের আহবায়ক মো: রোকনুজ্জামান। বিএনপির রাজনীতিতে এসে একাধিকবার হামলা মামলার শিকার হয়েছেন। সকল নির্যাতন ও ষড়যন্ত্র সহ্য করে জাতীয়তাবাদ আর্দশ নিয়ে বিএনপি সুসংগঠিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। কালিগঞ্জ উপজেলায় বিএনপির সর্বোচ্চ ৪৭টি মামলার রয়েছে রোকনের নামে যেটা কালিগঞ্জের রাজনীতিতে নজির-বিহীন। তিনি সর্বপ্রথম ওয়ান-ইলেভেনে ২০০৭ সালে ছাত্রদলের রাজনীতি করা অবস্থায় মামলার শিকার হন। দীর্ঘবছর পালিয়ে থেকে দলের প্রতিটি কর্মসূচি তৎকালীন সময়ে কালিগঞ্জে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে।
সরজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, রোকনুজ্জামান সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আলাউদ্দিনের অনুসারী।
২০১৫ সালে ঢাকা মহানগর পশ্চিম মিরপুর ওর্য়াড শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০২১ সালে কালিগঞ্জ উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য পরে ২০২৩ সালে জেলা কৃষকদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছে।
রোকন প্রতিনিয়ত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ছুটে চলেছে দলকে সুসংগঠিত করার জন্য। তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সুসংগঠিত করে যাচ্ছে। রোকনের এই জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে একদল ষড়যন্ত্রকারী তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে হেউপ্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সকল বাঁধা আর ষড়যন্ত্র অতিক্রম করে বিএনপিকে সুসংগঠিত করতে রোকন এগিয়ে যাচ্ছে দুর্বার গতিতে। সর্বোচ্চ মামলা মাথায় নিয়ে দলের জন্য ত্যাগ তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মাঝে প্রশাংসায় ভাসছে এই তরুণ জনপ্রিয়নেতা রোকনুজ্জামান।
উপজেলা জাসাসের আহবায়ক মুর্শিদ আলী গাজী বলেন, রোকনুজ্জামান কালিগঞ্জের রাজনীতিতে দরকার। দিন নেই রাত নেই নেতাকর্মীদের পাশে থেকে বিপদ আপদ দেখে থাকেন। একজন নেতা হিসাবে তৃণমূলে কর্মীদের কিভাবে আগলে রাখতে হয় সেটা রোকন জানে। আমরা চাই রোকনের হাতে কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতৃত্ব আসুক দল সুসংগঠিত হোক।
কালিগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক বলেন, রোকনুজ্জামান কর্মীবান্ধবনেতা কর্মীদের মূল্যায়ন করেন। আমরা যেকোন সমস্যা পড়লে তার কাছে ছুটে যায় সে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন সমাধানের। ছাত্রদলের কর্মী হয়ে বলতে পারি কালিগঞ্জে আগামীর নেতৃত্ব রোকনের হাতে নিরাপদ।
কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আল মামুন ছট্টু বলেন, রাজনীতিতে সবচেয়ে বড়গুন হল কর্মীদের চেনা ফোন রিসিভ করা কাঁধে হাত রাখা সকল যোগ্যতায় রোকনের আছে। আমি চাই আগামী কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে রোকন সাধারণ সম্পাদক হোক।
অপর আরেক নেতা মৌতলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, কালিগঞ্জে যখন বিএনপির রাজনীতি খন্ডে খন্ডে বিভক্ত নেতৃত্ব কোন্দলে তখন হাল ধরেছে।বিএনপির সকল কর্মসূচি পালন করে যান নিজে দায়িত্বে। একজন দায়িত্বশীল নেতার কাছে নেতৃত্ব সুরক্ষিত।
কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ও কৃষকদলের আহবায়ক রোকনুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, আমি ওয়ান ইলেভেন থেকে মামলার শিকার। আমার নামে কালিগঞ্জ উপজপলার সর্বোচ্চ ৪৭ টি মামলা রয়েছে যেটা অন্য নেতাকর্মীদের নামে নেই। কালিগঞ্জ যখন তৎকালীন আওয়ামী লীগের আমলে বিএনপি বলতে ভয় পেত তখন শেখ হাসিনার পুলিশের রক্তচুক্ষ উপেক্ষা করে আমার নেতৃত্বে মিছিল করেছি। আজ দল ক্ষমতায় আমার জনপ্রিয়তার ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে একদল মিথ্যাচার করছে। আমি কোন ষড়যন্ত্র ভয়পাই না। জিয়ার আর্দশকে ধারণ করে প্রতিনিয়ত তৃণমূলে বিএনপিকে সুসংগঠিত করার চেষ্টা করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের নির্মূলে কাজ করছি। আমৃত্যু জাতীয়তাবাদ আর্দশ ধারণ করে বিএনপির জন্য কাজ করে যেতে চাই।
দৈনিক সাতক্ষীরা সব সময় সবার আগে
