
নিজস্ব প্রতিনিধি :আমরা আরো কয়েকটি হাসপাতাল ভিজিট করেছি আমাদের এখানে যতগুলো ডাক্তার প্রয়োজন, সেই সংখ্যা রোগীর আনুপাতের সংখ্যায় সারা বাংলাদেশে ডাক্তার কম।
আজ দুপুর একটায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী আকস্মিক সাতক্ষীরায় স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। এবং পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন,গত ১৭ বছরের স্বৈরাশাসক ডাক্তার রিক্রুট করে নাই, কোন দিক খেয়াল করে নাই, সেই কারণে সমস্যাটা তৈরি হয়েছে।তারপরেও আমাদের এখানকার ডাক্তাররা জন প্রত্যাশার ভিড়ের ভিতরেও চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমি রান্নাঘর,বাথরুম দেখেছি অ্যাটেনডেন্স দেখেছি। দেখে ডাক্তার সোহানা সেলিম বিনা নোটিশে এক মাসের বেশি ছুটিতে আছে। উনাকে টারমিনেট করার জন্য বলেছি। মোটামুটি ব্যবস্থাপনা ভালো পেয়েছি সীমাবদ্ধতার ভিতরেও ভালো পেয়েছি।
এর আগে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দেখেছি, ওখানে চুরির একটা ঘটনা ঘটেছে, সিকিউরিটি গার্ডকে সাসপেন্ড করার জন্য বলেছি।
একজন ডাক্তারকে ক্লোজ করার জন্য বলেছি ।
তিনি বলেন, যন্ত্রপাতি ও ডাক্তার দরকার। পর্যায়ক্রমে আমরা সারা বাংলাদেশে দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের ডাক্তাররা আপনাদের সহযোগিতায় সীমাবদ্ধতার ভিতরেও যে সেবা দিয়ে যাচ্ছে তাতে আমি অসন্তুষ্ট না। ভালো করতেছে আরো ভালো করতে হবে।
আমাদের কিছু সিস্টেমের পরিবর্তন করতে হবে। ডিরেক্টর সাহেব কে বলেছি, এগুলো পরিবর্তন করে ফেলতে হবে।রোস্টার ডিউটি গুলো ঠিকঠাক করবে। রেজিস্টার অনেক সময় অবহেলা করে সাইন করে না এগুলা। প্রতিনিয়ত করার জন্য বলেছি ।নার্সের অ্যাটেনডেন্ট ভেরি সিটি সেক্টরে সকল হাসপাতালের নার্সদের উপস্থিতিটা ভালো পাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, দেশের সকল ৫০সজ্জা হাসপাতালগুলোকে ১০০ সজ্জা রূপান্তরিত করতে যাচ্ছি। জেলা হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ টি ডায়ালাইসিস মেশিন দিতে যাচ্ছি। এছাড়া প্রতিটা জেলা হাসপাতালে ১০ টি করে ডায়ালাইসিস মেশিন দিতে যাচ্ছি। প্রতিটি উপজেলায় ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হচ্ছে। পরবর্তীতে আমরা মানুষের চাহিদা অনুযায়ী দশ শয্যা হাসপাতালের ডায়ালাইসিস সেবা দেবে। এরমধ্যে উপজেলা হাসপাতালগুলোতে একশ এক শয্যায় করা হচ্ছে এর মধ্যে দুইটা বিভাগ করা হচ্ছে। পুরুষরা পুরুষের থেরাপি দেবে।আর মেয়েরা মেয়েদের থেরাপি দিবে। এছাড়াও প্রত্যেকটা উপজেলায় মডার্ন টেকনোলজি করা হচ্ছে। ইউনিয়ন হেলথ কমপ্লেক্স ইউনিয়ন ফ্যামিলি প্ল্যানিং সেন্টার নতুন করে পি পি বি স্ট্রাকচারে চলে যাব।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হেলথ কার্ড আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেখছেন। এটা উচ্চতরো টেকনিক্যাল কাজ। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত দিতে হবে। ইতিমধ্যে আমাদের অনেকটা কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এটা নিয়ে কাজ চলছে। আশা করি খুব তাড়াতাড়ি আমরা কার্ড দেওয়া শুরু করব। আপনারা জানেন আমরা ব্যাপক হারে ফ্যামিলি কার্ড ,কৃষি কার্ড বিতরণ করা শুরু করেছি।
পাইলটিংস্ক্রিম আমরা বাংলাদেশের দশটা ইউনিয়নে নয়টা ওয়ার্ডে হেলথ স্কিমি়ং কাজ করব। মহিলা পুরুষদের ঘরে ঘরে গিয়ে কাজ করবে। দুই মাসের ভিতরে আমরা কাজ শুরু করব।
এ সময় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
দৈনিক সাতক্ষীরা সব সময় সবার আগে
