
পাইকগাছা প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী সেবা নিতে রোগীর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। চলতি মাসের ১ জুন থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত মাত্র ২৩ দিনে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী চিকিৎসা ও টিকা গ্রহণ করেছেন ১২৮ জন। স্বাস্থ্য বিভাগের এই পরিসংখ্যান একদিকে যেমন মানুষের সচেতনতার ইতিবাচক চিত্র তুলে ধরছে, অন্যদিকে উপজেলায় পথকুকুর ও অন্যান্য প্রাণীর আক্রমণের উদ্বেগজনক বাস্তবতাকেও সামনে নিয়ে আসছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন গড়ে ৫ থেকে ৬ জন রোগী জলাতঙ্ক প্রতিরোধী চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসছেন। কোনো কোনো দিনে এ সংখ্যা বেড়ে ১৮ জন পর্যন্ত পৌঁছেছে। আক্রান্তদের অধিকাংশই কুকুরের কামড় বা আঁচড়ের শিকার বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার বিভিন্ন বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও জনবহুল এলাকায় পথকুকুরের উপদ্রব দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে স্কুলগামী শিশু, বৃদ্ধ ও পথচারীরা প্রায়ই আতঙ্কের মধ্যে চলাচল করছেন। তবে এ সমস্যা নিরসনে দৃশ্যমান ও কার্যকর উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসানারা বিনতে আহমেদ বলেন, “জলাতঙ্ক শতভাগ প্রাণঘাতী হলেও সময়মতো চিকিৎসা নিলে এটি শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য। আমরা নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছি। ফলে মানুষ এখন দ্রুত চিকিৎসা নিতে আসছেন।”
দৈনিক সাতক্ষীরা সব সময় সবার আগে
