Breaking News

ম্যারাডোনার মৃত্যুর পর রক্তে অ্যালকোহল বা মাদক ছিল না

Spread the love

স্পোর্টস ডেস্ক:
ডিয়াগো ম্যারাডোনা মারা গেছেন চার বছর আগে। তার মৃত্যুতে কেঁদেছিল গোটা ফুটবল বিশ্ব। যদিও সেই সময় থেকেই শুরু হয় তার মৃত্যু নিয়ে নানান জল্পনা-কল্পনা। বিভিন্ন প্রশ্ন উঁকি দিতে থাকে ভক্তদের মনে, ব্যতিক্রম হয়নি পরিবারের লোকজনদের মধ্যেও। তাই তারা ম্যারাডোনার অবহেলার কারণে মৃত্যু হয়েছে বলে মামলা করে দেয়। যার কার্যক্রম শুরু হয়েছে গেল মাস থেকে।

আর তারপর থেকেই বেরিয়ে আসছে একের পর এক ভয়ঙ্কর তথ্য, যা শুনে রীতিমতো নড়েচড়ে বসছে ফুটবলপ্রেমীরা। সেই ধারাবাহিকতায় এবার সামনে এসেছে আরও একটি তথ্য। ম্যারাডোনার মৃত্যুর পর তার রক্তে কোনো ধরনের অ্যালকোহল কিংবা মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। মারা গিয়েছেন হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ এবং লিভার সিরোসিসের কারণে। জানা গেছে, মৃত্যুর আগে তার হৃদপিণ্ড অস্বাভাবিক আকার ধারণ করেছিল।

দীর্ঘদিনের ম্যারাডোনার মাদকাসক্তির ইতিহাস থাকলেও মৃত্যুর পর তার রক্তে সেটির অস্তিত্বও মেলেনি। সম্প্রতি আর্জেন্টাইন গণমাধ্যম বুয়েন্স আইরেস টাইস এক প্রতিবেদনে এমনটি জানিয়েছে। ঐ প্রতিবেদন অনুসারে আদালতে এক বিশেষজ্ঞ সাক্ষী এ তথ্য জানান। টক্সিকোলজি বিশেষজ্ঞ এজেকিয়েল ভেনতোসি নিশ্চিত করেছেন যে, তার শরীরে কোকেন, গাঁজা, এমডিএমএ, এক্সট্যাসি, অ্যাম্ফিটামিন বা অ্যালকোহলের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে, তার শরীরে পাঁচ ধরনের ওষুধ পাওয়া গেছে, যা মূলত অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট, অ্যান্টিকনভালসেন্ট, অ্যান্টিসাইকোটিক এবং বমি বন্ধের ওষুধের অন্তর্ভুক্ত।

এ দিকে ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর ৬০ বছর বয়সে মারা যান ম্যারাডোনা, ঐ সময় তিনি মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বাঁধার অস্ত্রোপচারের পর বাড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অস্ত্রোপচারের দুই সপ্তাহ পর এই ঘটনা ঘটে। ময়নাতদন্তে প্রকাশ পায় যে, ম্যারাডোনা হার্ট ফেইলিওর এবং অ্যাকিউট পালমোনারি ইডিমায় (ফুসফুসে তরল জমে যাওয়া) মারা যান। যদিও সেই সময় প্রকাশ পায়নি ম্যারাডোনার হৃদপিণ্ড অস্বাভাবিক বৃদ্ধির বিষয়টি। যা সামনে এসেছে গেল সপ্তাহে।

এ নিয়ে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ আলেহান্দ্রো এজেকিয়েল ভেগা আদালতে সাক্ষ্য দেন যে, ম্যারাডোনার হৃদযন্ত্রের ওজন প্রায় ৫০৩ গ্রাম ছিল, যেখানে সাধারণত এটি ২৫০ থেকে ৩০০ গ্রামের মধ্যে হয়ে থাকে। ময়নাতদন্তে প্রকাশ পায় যে, তার হৃদযন্ত্র দীর্ঘদিন ধরে ‘ইসকেমিয়ায়’ ভুগছিল, যার অর্থ এটি পর্যাপ্ত রক্ত ও অক্সিজেন পাচ্ছিল না। প্যাথোলজিস্ট সিলভানা দে পিয়েরো আরও জানান যে, তার যকৃতে সিরোসিসের লক্ষণ ছিল, কিডনির কার্যকারিতা পরিবর্তিত হয়েছিল এবং ফুসফুস অক্সিজেনের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

About dainiksatkhira24

Check Also

বাংলাদেশে দেখা যাবে আইপিএল

Spread the love স্পোর্টস ডেস্ক: নতুন সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) সম্প্রচার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

HTML Snippets Powered By : XYZScripts.com