
জি এম মুজিবুর রহমান : আশাশুনি টু বুধহাটা ব্যস্ততম সড়কে গরু-ভেড়ার অবাধ বিচরণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন সড়কের মহেশ্বরকাটি মৎস্য সেট থেকে চাপড়া পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সড়কের ওপর ও দুই পাশে গবাদিপশুর বিচরণ দেখা যায়।স্থানীয়রা জানান, এই অংশে বসতবাড়ি ও গাছপালা তুলনামূলকভাবে কম থাকায় সড়কের দুই পাশে প্রচুর ঘাস জন্মে। আর সেই ঘাস খাওয়ার জন্য আশপাশের গ্ৰামের গরু ও ভেড়া সেখানে নিয়ে আসা হতো। এখন প্রাণী গুলোকে নিয়ে না আসলেও তাদের গোয়াল থেকে ছেড়ে দিলে নিজেরাই সেখানে চলে আসে ঘাসের সন্ধানে। তাদের হিসাবে, প্রতিদিন এই এলাকায় প্রায় ২০/২৫ টি গরু ও ৫০টির বেশি ভেড়ার বিচরণ দেখা যায়।গবাদিপশু হঠাৎ করে সড়কের এক পাশ থেকে অন্য পাশে চলে যাওয়ায় চলন্ত যানবাহনের চালকদের আকস্মিকভাবে গতি কমাতে কিংবা দিক পরিবর্তন করতে হয়। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। অতীতেও এ সড়কে গবাদিপশুর কারণে একাধিক দুর্ঘটনায় যানবাহন, চালক ও যাত্রীরা আহত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। সাথে সাথে সড়কের পাশে গাছের চারাগাছ রোপণ ও সংরক্ষণেও গবাদিপশুর অবাধ বিচরণ বাধা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এখানে রাস্তার পাশে একাধিকবার বাবলা ও বিভিন্ন প্রজাতির বীজ রোপণ করা হলেও গবাদিপশুর বিচরণের কারণে অনেক বীজ থেকে চারা গজাতে পারেনি। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে সরেজমিনে ওই সড়কে সকালে এবং বিকালে বেশ কিছু সময় অবস্থান করে গরু ও ভেড়ার অবাধ বিচরণের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করা হয়। এ সময় গবাদিপশু গুলোকে সড়কের দুই পাশের ঘাস খেতে এবং মাঝে মাঝে সড়কের ওপর দিয়ে এক পাশ থেকে অন্য পাশে যেতে দেখা যায়।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, এব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদকে জানানো হয়েছে। তানা কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেনা। আমি খুব শীঘ্রই চিঠি ইস্যু করবো।
দৈনিক সাতক্ষীরা সব সময় সবার আগে
