Breaking News

আশাশুনিতে ৩০ বছরের ভোগদখলীয় ঘেরে জবর দখল ও লুটপাটের প্রতিকারে সংবাদ সম্মেলন

Spread the love

জি এম মুজিবুর রহমান : আশাশুনি উপজেলার কেয়ারগাতিতে ৩০ বছরের ভোগদখলীয় মৎস্য ঘেরে জবর দখল ও লুটপাটের প্রতিকারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৫ জুলাই) দুপুর ২ টায় আশাশুনি প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
কেয়ারগাতি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর ইসলাম সানা তার পুত্র কামরুজ্জামানের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ কালে বলেন, কামরুলের বুড়ো ভাই আঃ ওহাব সানার সম্পত্তি প্রায় ২০ বিঘা জমি সরকার খাস করে নেয়। আমরা ৩০ বছরের উপরে ঐ সম্পত্তিতে ভোগ করে আসছি এবং নদী ভরাটের পর ২০১৩ সাল থেকে ডিসিআর প্রাপ্ত হয়ে শান্তিপূর্ণ দখলে আছি। সবশেষ ২৯/০৯/২৪ তাং ১৪৩১ সালের ডিসিআর গ্রহন করি। চলতি বছরের ডিসিআর পেতে যথানিয়মে আবেদন করি। কিন্তু অজ্ঞাত কারনে আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি ও দখলে থাকা মৎস্য ঘেরটি এবছর অন্যদের ডিসিআর প্রদান করা হয়েছে বলে জানতে পারি। যা নিয়ম বহির্ভুত। তিনি আরও বলেন, গত ৩ জুলাই সকাল ৭ টার সময় কেয়ারগাতি গ্রামের মৃত এলাহি বক্স শেখের ছেলে হেদায়েতুল, মইরুদ্দীন সরদারের ছেলে লাভলু ও মিন্টু, মৃত মোকছেদ সরদারের ছেলে শফিকুল, সিরাজুল ইসলামের ছেলে সাজুসহ ১৭ জন জ্ঞাত ও ১০/১৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি আমাদের মৎস্য ঘেরে গিয়ে মাছ লুট করে। এনিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করি। অভিযুক্তরা আরো বেপরোয়া হয়ে ২ দিন পর ৫ জুলাই সকাল ৯.৩০ টার দিকে বেআইনী জনতাবদ্ধ হয়ে লাঠি, দা, শাবল, চাইনিজ কুড়াল, টানা ও খেপলা জাল নিয়ে উক্ত ২০ বিঘা জমির মৎস্য ঘেরে জবর দখল নিতে যায়। আমরা বাধা নিষেধ করলে খুন জখম করতে উদ্যত হলে আমরা প্রাণ ভয়ে পালিয়ে যাই। এসময় তারা ৩ টি ঘেরের বাসা ভাংচুর করে ৬০ হাজার টাকা ক্ষতিসাধন করে। জাল টেনে ও ঘুনি আটন ঝেড়ে দুই লক্ষাধিক টাকার মাছ মেরে নেয়। হরিণার নার্সিং পয়েন্ট থেকে লক্ষাধিক টাকার পোনা নেট টেনে ধরে নেয়। এখন তারা অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঘেরে অবস্থান করছে। এনিয়েও থানায় লিখিত এজহার দাখিল করেছি।
ইতিপূর্বে তাদের বিরুদ্ধে ১৪৫ ধারায় বিজ্ঞ অতিঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পি-১১৫৯/২৫ (আশাঃ) নং মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশাশুনিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আদেশ করেন। এরপরও তারা থেমে নেই। তারা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও প্রশাসনের কাছে আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এসময় তরিকুল ইসলাম, জাসাস উপজেলা আহবায়ক কামরুজ্জামান, জাহাঙ্গীর সানা, নাজিরুল গাজী বলেন, আমরা ৩০ বছর দখলে আছি, ডিসিআর কেটে ভোগজাত করছি, দখলে থাকাদের বাদ দিয়ে এবং আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি খাস করার পর আমাদের অগ্রাধিকার থাকলেও কিভাবে অন্যদের নামে ডিসিআর দিল তা জানতে চাই। ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতি পুরন চাই এবং ডিসিআর পেতে চাই।

About dainiksatkhira24

Check Also

আশাশুনিতে ইএসডিও’র মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম পরিদর্শনে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক

Spread the love জি এম মুজিবুর রহমান: সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার আশাশুনি উপজেলার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

HTML Snippets Powered By : XYZScripts.com