
রঘুনাথ খাঁঃ সাতক্ষীরা সদরের আখড়াখোলা গ্রামের প্লে
শ্রেণীর পড়ুয়া সেহজাদ হোসেন রিয়ানকে অপহরণের পর নির্যাতন করে
হত্যার পর লাশ পানিতে ফেলে গুম করার চেষ্টার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায়
পুলিশ মোঃ আহাদুজ্জামান নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার
সকালে তাকে সাতক্ষীরা সদরের রাজনগর বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা
হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আহাদুজ্জামান সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের
বাউলডাঙা (মুচড়া) গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলামের ছেলে। বর্তমানে
সে মুকুন্দপুর গ্রামের নানার বাড়িতে থাকে।
মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক
সুশান্ত কুমার ঘোষ জানান, রবিবার সকালে সেহজাদ হোসেন রিয়ানের
লাশ উদ্ধারের পর রাতেই তার বাবা আখড়াখোলা গ্রামের শাহাদাৎ হোসেন
বাদি হয়ে কারো নাম উল্লেখ না করে হত্যা ও লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগে
সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তভার পেয়ে সিসি
টিভি ফুটেজ ও বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে কথা বলা ছাড়াও অত্যাধুনিক
প্রযুক্তি ব্যবহার করে আহাদুজ্জামানকে সন্দিগ্ধ আসামী হিসেবে
রাজনগর বাজার থেকে মঙ্গলবার সকালে গ্রেপ্তার করেন। তাকে
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বুধবার আদালতে পাঁচ দিনের রিমাণ্ড আবেদন
জানানো হয়েছে। তাকে রিমাণ্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারলে হত্যার
রহস্য ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করা সম্ভব হবে।
প্রসঙ্গত, আখড়াখোলা গ্রামের শাহাদাৎ হোসেনের ছেলে আলহ্বাজ্ব
সোয়েব হোসেন প্রিক্যাডেট স্কুলে প্লে শ্রেণীর পড়ুয়া সেহজাদ
হোসেন রিয়ান গত শুক্রবার বিকেলে তার নানা মুকুন্দপুর গ্রামের
মতিয়ার রহমানের বাড়ির পাশ থেকে নিখোঁজ হয়। রবিবার সকালে তার
মামা মেহেদী হাসানের মাছের ঘের থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।
নিখোঁজ হওয়ার এক সপ্তাহ আগে গ্রেপ্তার হওয়ায় আহাদুজ্জামান
রিয়ানের নানা মতিয়ার রহমানকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দেন বলে
অভিযোগ।
দৈনিক সাতক্ষীরা সব সময় সবার আগে
