
নিউজ ডেস্ক:
সেবার মান নিয়ে প্রশ্নের মধ্যে দেশে চালু হচ্ছে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক ফাইভ-জি। পরীক্ষামূলকভাবে সেবাটি চালুর আগে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলছেন, ফোর-জি সেবার মান ঠিক রাখতে না পারা সমষ্টিগত ব্যর্থতা। আর নতুন সেবা চালুর আগে অবকাঠামোগত উন্নয়নে নজর দিতে হবে।
চলতি মাসের প্রথম দিনেই দেশের কয়েকটি জায়গায় পরীক্ষামূলক ফাইভ-জি সেবা চালু করেছে বড় দুই টেলিকম অপারেটর রবি ও গ্রামীণফোন। ফোর-জির দামেই ফাইভ-জি সুবিধা পাবেন রবি গ্রাহকেরা। আর দামের বিষয়ে কিছু বলেনি গ্রামীণফোন।
টেলিকম বিশ্লেষক সুমন আহমেদ সাবির বলেন, ফোর-জি নেটওয়ার্কেই যেখানে সফলতা আসেনি, সেখানে পূর্ণ প্রস্তুতি ছাড়া ফাইভ-জি চালু চ্যালেঞ্জিং। নতুন সেবা চালুর আগে টেলিকম অপারেটরদের অবকাঠামো উন্নয়নে বেশি নজর দেওয়া উচিত।
টেলিকম নেটওয়ার্ক উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় ঘাটতির কথা স্বীকার করে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ফোর-জি সেবার মানই এখনও আশানুরূপ নয়। দেশে ফোর-জি ব্যবহার উপযোগী ৬০ শতাংশ হ্যান্ডসেটের মধ্যে ফাইভ-জি সেবা নেওয়ার মত স্মার্টফোন মাত্র ছয় থেকে সাত শতাংশ।
তবে সেবার মান বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানান বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী।
দৈনিক সাতক্ষীরা সব সময় সবার আগে
