Breaking News

আমাকে হত্যার ছক কষছে ইরান: ট্রাম্প

Spread the love

ডেস্ক রিপোর্ট: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরান হত্যা করতে পারে। এমন দাবি করেছেন স্বয়ং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তিনি ইরানের হিটলিস্টে ১ নম্বরে রয়েছেন। এই আশঙ্কায় তিনি তুরস্ক থেকে দেশে ফেরার সময় বিমানও পরিবর্তন করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের আশঙ্কা, মাঝ আকাশে তার বিমানে হামলা হতে পারে। এজন্য ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ (মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ বিমান) এর সব জানালা বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ইরানের সঙ্গে শান্তি সমঝোতা স্থগিত করে আবার হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে গিয়েছিলেন ট্রাম্প।

ট্রাম্পের সফরসঙ্গী যে সাংবাদিকরা ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এ ছিলেন, তাদের নিজ নিজ আসনের পাশের জানালা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আপনারা সম্ভবত একটি বিপজ্জনক বিমানে রয়েছেন। তারা (ইরানিরা) খুব বাজে লোক। আমাকে সবসময়ই হুমকির মুখে থাকতে হয়। তাদের হত্যার তালিকায় একেবারে প্রথমেই রয়েছি আমি। আমার যদি কিছু হয়, তবে আপনাদেরও সেই একই অবস্থা হবে। এরপর পরিবেশ কিছুটা হালকা করে ট্রাম্প বলেন, ‘হয়তো আপনারা কোনো একদিন নিজেদের পেশা বদলে ফেলতে চাইবেন।’

যে বিমানে চেপে ট্রাম্প তুরস্কে গিয়েছিলেন, সেই বিমানে তুরস্ক থেকে দেশে ফেরেননি তিনি। সম্প্রতি কাতারের দেওয়া একটি বিমানে তুরস্কে গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে বার্তা সংস্থা এপি জানায়, ফেরার সময়ে কিছুটা পথ ট্রাম্প আসেন হালকা নীল রঙের পুরোনো ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ বিমানে চেপে। কী কারণে হঠাত্ এই বিমান বদল করা হয়েছে, তা প্রাথমিকভাবে স্পষ্ট নয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, ট্রাম্প রওনা হওয়ার আগেই নতুন বিমানটি ব্রিটেনের মিলডেনহল বিমানঘাঁটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ফলে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারা থেকে ব্রিটেন পর্যন্ত পুরোনো ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এ চেপেই যান তিনি।

 

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইউরোপ থেকে আরো মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে কিনা তা নির্ভর করছে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ভবিষ্যত্ চুক্তির উপর। এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন ট্রাম্প। এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন ইউরোপ থেকে কি আরো মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে? ট্রাম্প জবাব দেন, ‘আমি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিইনি। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে অনেক কিছু হচ্ছে। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ভালো চুক্তি হবে কিনা তার উপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। হয়তো আমি ভালো চুক্তি করতে পারব।’ ন্যাটো শীর্ষবৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য আঙ্কারা পৌঁছাবার পর ট্রাম্প বলেছিলেন, গ্রিনল্যান্ড এখন ডেনমার্কের অংশ, কিন্তু তা আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত।

About dainiksatkhira24

Check Also

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ভয়াবহ হামলা

Spread the loveডেস্ক রিপোর্ট: ইরানে টানা ষষ্ঠ রাতের মতো বড় ধরনের সামরিক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

HTML Snippets Powered By : XYZScripts.com