Breaking News

সাতক্ষীরায় এলজিডি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

Spread the love

নিজস্ব প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সদর উপজেলার শ্রীরামপুর এলাকায় প্রায় ৫ কিলোমিটার সড়কে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে কাজ বাস্তবায়ন করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর তদারকি করছে না। এতে সরকারের অর্থ অপচয়ের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

শ্রীরামপুর এলাকার আলামিন হোসেন , কবির হোসেন, আজমল খাঁ সহ অনেকে বলেন, ভোমরা- শ্রীরামপুর সড়কে চলমান কয়েকটি সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়নকাজে নিম্নমানের ইট, বালু ও খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে বলে তা অত্যান্ত নিম্নমানের । এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে যশোরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘বিশ্বজিৎ কনস্ট্রাকশন’-এর সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা ।

তারা অভিযোগ করেন , বর্তমানে রাস্তার কাজের তদারকিতে থাকা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী আলামিনের সহযোগিতায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি অনিয়মের সুযোগ পাচ্ছে।

তারা দাবি করেন, কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুললেও কোনো প্রতিকার মিলছে না।

আরেক বাসিন্দা আসাদুল সরদার অভিযোগ করেন, রাস্তার কাজে যে ইট ব্যবহার করা হচ্ছে, তা খুবই নিম্নমানের। কয়েকদিনের মধ্যেই ভেঙে যাচ্ছে। কাজ শেষ হওয়ার আগেই রাস্তার কিছু অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে।

এছাড়া রাস্তায় পড়ে থাকা দীর্ঘদিনের পুরাতন ইট দিয়ে খোয়া তৈরি করা হচ্ছে । এছাড়া বালির মান নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন ।প্যারাসাইডিং ঢালাইয়ে ব্যাবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের খোয়া বালু ও সিমেন্ট । এতে রাস্তাটির দীর্ঘস্থায়ীত্ব কমে যাচ্ছে । এ বিষয়ে সংক্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোন ফল হয়নি ।

নাম না জানানোর শর্তে এক ঠিকাদার বলেন, সদর উপজেলার সহকারী প্রকৌশলী আলামিন মোটাংকের ঘুষ বানিজ্যের বিনিময়ে নিজের পছন্দের ঠিকাদার দিয়ে কাজ করেন। সম্প্রতি মোটাংকের টাকার বিনিময়ে যশোর জেলার সাবেক এমপি শাহিন চাকলাদারের একসহযোগি বিশ্বজিৎ নামে একজনকে ঠিকাদারকে দিয়ে নিম্নমানের কাজ করিয়ে সেখান থেকে বিলের এক তৃতীয়াংশ ভাগ বটোয়ার করে খাচ্ছেন।

তবে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের দাবি, প্রকল্পের কাজ সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করেই করা হচ্ছে এবং সঠিক মান নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হয়েছে।

 

অভিযোগ অস্বীকার করে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী আলামিন হোসেন বলেন, প্রকল্পের কাজ সরকারি নীতিমালা মেনেই করা হচ্ছে । সেখানে কোন দূণীতির প্রমান পাওয়া যায়নি । আমাদের লোক সেখানে প্রতিদিন তদারকি করে । টেন্ডারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওএমটির সিষ্টেমের মাধ্যমে টেন্ডার হয়, সেখানে উর্ধত্তন কর্তৃপক্ষ স্বচ্ছতার মাধ্যমে টেন্ডার করে এখানে আমাদের কোন কর্তত্ব নেই ।

About dainiksatkhira24

Check Also

সাতক্ষীরায় ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

Spread the loveনিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জুলাই শহীদ স্মরণে গ্রামভিত্তিক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

HTML Snippets Powered By : XYZScripts.com