
নিউজ ডেস্ক:
ফেনীর সোনাগাজীতে মহিলা জামায়াতের উদ্যোগে পরিচালিত একটি কোরআন শিক্ষাকেন্দ্রে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে সোনাগাজী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কয়েকজন যুবদল নেতা সেখানে হঠাৎ প্রবেশ করে উপস্থিত নারীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এ সময় একজনের হাত থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ছুঁড়ে ফেলার ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় পৌর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি নূরনবী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
আরো পড়ুন-https://dainiksatkhira24.com-গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে বিসমিল্লাহ পরাজিত হবে—‘না’ ভোটের ডাক কৃষক দল নেতার
সোনাগাজী উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোহাম্মদ মোস্তফা বলেন, হাজী কাশেম মিয়ার বাড়িতে নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মহিলা জামায়াতের কোরআন ক্লাস চলছিল। ওই সময় যুবদল নেতা নুর আলম জিকু, এনাম ও ইকবালসহ কয়েকজন এসে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন।
মহিলা জামায়াতের নেত্রীদের দাবি, সেখানে কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রম হয়নি। শুধুমাত্র ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল।
পৌর ওয়ার্ড জামায়াত সভাপতি নূরনবী জানান, উত্তেজনা এড়াতে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত যুবদল নেতারা দাবি করেন, কোরআন ক্লাসের আড়ালে ভোট চাওয়া হচ্ছিল এবং ধর্মীয় ভয় দেখানো হচ্ছিল। যুবদল নেতা নুর আলম জিকু বলেন, “কোরআনের নামে ভোট চাওয়া ঠিক নয়। বিষয়টি জানতে গিয়েই কথা কাটাকাটি হয়েছে।” তবে তিনি বিস্তারিত বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
এ ঘটনায় সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিমুল্লাহ সোনাগাজী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি কামরুল হাসান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
দৈনিক সাতক্ষীরা সব সময় সবার আগে
