
রঘুনাথ খাঃ সাতক্ষীরার মাগুরা বৌবাজারে নারী ব্যবসায়ি
বীথিকা সাধুকে নির্যাতন চালিয়ে হত্যার পর পুকুরের পানিতে ফেলে
লাশ গুমের চেষ্টার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত এইচএসসি পরীক্ষার্থী আবিদ
হোসেনকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারি
কর্মকর্তা সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক সুশান্ত কুমার ঘোষ
আদালতের নির্দেশে সোমবার সকাল ১১টার দিকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ
করেন।
আসামী আবিদ হোসেন খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার পল্লীমধুর
গ্রামের শহীদুল ইসলামের ছেলে ও তেরখাদা ডিগ্রী কলেজ থেকে দ্বাদশ
শ্রেণীর পরীক্ষার্থী। এ নিয়ে এ মামলায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
মামলার বর্তমান তদন্তকারি কর্মকর্তা সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ
পরিদর্শক সুশান্ত ঘোষ জানান, বীথিকা সাধুকে নির্যাতন চালিয়ে
হত্যার ঘটনায় তার ছেলে কার্তিক সাধু বাদি হয়ে কারো নাম উল্লেখ
না করে ২৭ এপ্রিল থানায় একটি মামলা(জিআর-১৬১/২৬ সাতঃ) দায়ের
করেন। মামলায় বীথিকা ২৬ এপ্রিল রাত সাড়ে সাতটার দিকে মাগুরা
বৌবাজারে নিজের দোকানে যাওয়ার পথে বাড়ি থেকে ঢিল ছোঁড়া
দূরত্বে বাঁশ বাগানের কাছে ইট দিয়ে থেঁতলে হত্যার পর লাশ গুম করার জন্য
পার্শ্ববর্তী বাসুদেব সাধুর পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। এ মামলায় ৫ মে
মঙ্গলবার রাতে খুলনার তেরখাদা এলাকা থেকে কলেজ ছাত্র আবিদ হাসানকে
র্যাব গ্রেপ্তার করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ৬ মে আদালতে সাত
দিনের রিমাণ্ড আবেদন জানান তিনি। রবিবার উভয়পক্ষের শুনানী শেষে
আবিদ হোসেনকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক দিনের রিমাণ্ড
মঞ্জুর করেন অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম বিলাস মণ্ডল। সোমবার
সকাল ১১ টার দিকে কারাফটকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
সুশান্ত কুমার ঘোষ আরো জানান, ইতিপূর্বে মাগুরার বৌবাজার
এলাকার আমিত হাসানকে রিমাণ্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কোন ক্লু
উদ্ধার করা যায়নি। তবে সে ঘটনার সঙ্গে নিজে জড়িত থাকার কথা
অস্বীকার করলেও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছে। যাদের মধ্যে অনেকেই
নিরীহ। একইভাবে কারাফটকে আবিদ হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদে কোন
তথ্য পাওয়া যায়নি। এ পর্যন্ত এ মামলায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার দেখানো
হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২৭ এপ্রিল রাতে এ মামলায় জাকির হোসেন ও সালাউদ্দিন মনা
নামের দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২৯ এপ্রিল সামিউল আলম, ৪ মে
অমিত হাসান ও ৫ মে আবিদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
দৈনিক সাতক্ষীরা সব সময় সবার আগে
