বড়দলে জেলা পরিষদের গাছের  গড়ি অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে

Spread the love
জি এম মুজিবুর রহমান, : আশাশুনি উপজেলার বড়দলে অবহেলা ও অজানা কারনে গাছের গড়ি ফেলে রেখে নষ্ট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ৩ বছর যাবৎ মূল্যবান গাছের গড়িগুলো ফেলে রাখায় নষ্টের উপক্রম হয়েছে।
আশাশুনির মানিকখালী ব্রীজ হতে বড়দল সড়কের ফকরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে জেলা পরিষদের গাছ কাটা হয় ২০২৩ সালে। বৃহৎ আকারের ৩টি শিশু চটকা গাছ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা প্রতিদিন সেখানে বড় একটি অংশ থাকতো। তারাসহ শত শত পথচারীর জীবনের ঝুঁকির হাত থেকে রক্ষা করতে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে গাছগুলো কাটা হয়। কিন্তু জেলা পরিষদের লোকজন গাছ তিনটির গোদার অংশের বড় বড় (অনুমান ১০ ফুট করে) ৩টি গড়ি রাস্তার পাশে রেখে বাকী কাঠ নিয়ে যায়। ডালপালা বিক্রয় করা হয়। গড়ি ৩টি সেখানেই রয়েগেছে। মাঝে একবার গোপনে বিক্রয়ের চেষ্টা করা হলে স্থানীয় সচেতন মানুষের বাধার কারনে সম্ভব হয়নি। প্রায় ১৫ হাজার টাকা মূল্যের গড়ি ৩টি রৌদ্র ও বর্ষায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। চলতি বর্ষা মৌসুম শেষে গড়ি ৩টি মূল্যহীন হয়ে পড়তে পারে। জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ এবং এলাকার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা কেমন দায়িত্ব পালন করেন? কেন জেলা পরিষদ তাদের সম্পদ সংরক্ষণ করতে ও ফেলে রেখে নষ্ট করা হতে রক্ষা করতে পারছে না? সরকারি সম্পদ কারো অবহেলা ও ভিন্ন কোন উদ্দেশ্যে নষ্ট হয়ে যাবে অথচ অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হবেনা, এটা হওয়া উচিৎ নয়। এলাকাবাসী এর প্রতিকার দাবী করেন।
ফকরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিটিএ সভাপতি ও ইউপি সদস্য প্রার্থী এস এম শরিফুল ইসলাম জানান, স্কুলের বাচ্চাদের নিরাপত্তা ও পথচারীদের জীবনহানির হাত থেকে রক্ষা করতে জেলা পরিষদ গাছ ৩টি কেটেছিল। কিছু অংশ বিক্রয় ও নিয়ে যাওয়া হলেও, মূল বড় অংশ ৩/৪ বছর এভাবে ফেলে রেখে নষ্ট করার কারণ আমরা জানিনা। তবে আমাদের দাবী গড়িগুলো স্থানীয় কোন ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দান করে দেওয়া হোক, নতুবা জেলা পরিষদ তাদের কাছে নিয়ে যাক। এভাবে নষ্ট করার কোন অর্থ নেই।

About dainiksatkhira24

Check Also

আশাশুনির প্রতাপনগরে বেড়িবাঁধে ভাঙন আতঙ্কে এলাকাবাসী

Spread the loveজি এম মুজিবুর রহমান : আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাহুনিয়া লঞ্চঘাটের দক্ষিণ পাশে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

HTML Snippets Powered By : XYZScripts.com