Breaking News

ফজরেই পূর্ণ হল জামায়াতের সমাবেশস্থল

Spread the love

ডেস্ক রিপোর্ট:রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার (১৯ জুলাই) জাতীয় সমাবেশ করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সাত দফা দাবি আদায়ে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে দুপুর ২টায় মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ফজরেই পূর্ণ হয়ে গেছে মহাসমাবেশস্থল।

জানা যায়, শুক্রবার রাত থেকেই বিভিন্ন জেলা থেকে আগত জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা উদ্যানে অবস্থান নিয়েছেন। এ দিন সকাল ১০টা থেকে মঞ্চ দখলে থাকবে দেশের খ্যাতনামা ইসলামি সংগীতশিল্পীদের।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম বলেন, আমার জেলা ঝালকাঠি থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী এসেছেন লঞ্চে। নির্দেশনা অনুযায়ী বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে এসেছেন। লঞ্চে কোনো হই-হুল্লোড় ছিল না। খাবার প্যাকেট নিয়ে ছিল না কোনো হট্টগোল। সিগারেটের কোনো ধোঁয়া ছিল না। পাওয়া যায়নি গাঁজা কিংবা অন্য কোনো নেশাদ্রব্যের ঘ্রাণ। দলবেঁধে জুয়া কিংবা তাস খেলার আসরও ছিল না।

তিনি আরও বলেন, খোঁজ নিয়ে জানলাম প্রত্যেকে নিজ খরচে তাদের দলের সমাবেশে যোগ দিতে ঢাকায় রওনা হয়েছেন- অর্থাৎ লঞ্চে একত্রে গেলেও প্রত্যেকে লঞ্চভাড়া নিজেরা বহন করছেন। তবে ঘুমানোর জায়গার কমতি ছিল। নিজে জেগে থেকে, বসে থেকে অন্য ভাইকে ঘুমানোর সুযোগ দিয়েছেন। ইসলামি দলগুলোর সৌন্দর্য এখানেই। অন্য সব প্রোগ্রামেও দেখেছি এমন শৃঙ্খলা ও চেইন অব কমান্ড। সবার মধ্যে এমন শৃঙ্খলা ফিরুক এবং সবাই নিজ দেশের নাগরিকদের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করুক এমনটাই চাওয়া।

কুমিল্লা থেকে আসা আবির রহমান বলেন, আমরা গতরাতেই রওয়ানা করে এসেছি। ফজরের আগেই পৌঁছে গেছি। আলহামদুলিল্লাহ। নির্দেশনা মোতাবেক মহাসমাবেশ শেষ হওয়া পর্যন্ত থাকবো। ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, আমরা শুকনো খাবার ও পানি নিয়ে এসেছি। প্রত্যেকের ব্যাগে জায়নামাজ আছে। সবাই মিলে একসঙ্গে গাড়িতে এলেও নিজেরাই খরচ বহন করেছি, সংগঠন থেকে দিতে হয়নি। বরং আমাদের অনেকে স্বেচ্ছায় ১০ থেকে ২০ জনের খরচ বহন করেছেন।

উত্তরের জেলা পঞ্চগড় থেকে কাউসার ইসলাম এসেছেন । তিনি বলেন, আমরা গতকাল বিকেলেই রওয়ানা করেছি। ফজরে এসে পৌঁছেছি। আমাদের নির্দেশনা ছিল ফজরের নামাজের পরই যেন মাঠে থাকতে পারি। সেভাবে গাড়ি নির্দিষ্ট জায়গায় রেখে সবাই চলে এসেছে।

এদিকে জামায়াতের জাতীয় মহাসমাবেশে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান সভাপতিত্ব করবেন। মহাসমাবেশে তারা পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড, সংস্কার ও বিচারসহ বেশ কিছু দাবি উপস্থাপন করবেন। এছাড়াও বাংলাদেশের ক্রিয়াশীল সব রাজনৈতিক দলকেই তাদের সমাবেশে জামায়াত আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, জামায়াতের মহাসমাবেশস্থলে ওজু-টয়লেটের ব্যবস্থা আছে। আছে নামাজের ব্যবস্থাও। মেডিকেল বুথ আছে। পর্যাপ্ত শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায়।

About dainiksatkhira24

Check Also

ঈদের ছুটিতে টোল আদায়ের রেকর্ড পদ্মা-যমুনা সেতুতে

Spread the loveডেস্ক রিপোর্ট: ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পদ্মা সেতু ও ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ঘরমুখো মানুষের ঢল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

HTML Snippets Powered By : XYZScripts.com