
স্টাফ রিপোর্টার:
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের লক্ষীদাড়ী এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে তাসলিমা খাতুন নামে ৫ মাসের এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে খুর দিয়ে গলা কেটে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী যশোর জেলার বেনাপোল এলাকার লোকমান মোড়ল এর ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৪৩) এর বিরুদ্ধে। নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল ১৬ মে রাত সাড়ে ১১ টায় ঘাতক সাদ্দাম হোসেন বাইরে থেকে ঘরে ফিরে তার স্ত্রী তাসলিমা খাতুনকে ডাকেন। তাসলিমা ঘুমিয়ে থাকায় সাড়া দিতে কিছুটা দেরি হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে সাদ্দাম তাকে অন্য একটি ঘরে ডেকে নিয়ে যান এবং ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে খুর দিয়ে নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যান। ঘটনার সময় নিহতের ১২ বছর বয়সী বড় মেয়ে সাদিয়া সুলতানা ও তার ছোট ভাই অন্য ঘরে ঘুমিয়ে ছিল এবং তার মায়ের চেচামেচি শুনে তার ঘুম ভেঙে দেখতে পান তার মাকে তার বাবা গলা কেটে হত্যা করেছে। পরে সাদিয়া তার নানার বাড়িতে ফোন করে বিষয়টি জানালে পরিবারের অন্য সদস্যরা পুলিশে খবর দেন।
নিহতের চাচাতো ভাই আবুল বাসার বলেন, আমার চাচাতো বোন ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন, এটি কেবল একটি হত্যা নয়, এটি আসলে দুটি প্রাণ কেড়ে নেওয়া, আমরা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের হত্যাকারীকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে পারিবারিক কলহের জের ধরেই সাদ্দাম হোসেন তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে খুর দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত আরও তথ্য জানা যাবে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং পলাতক স্বামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
ইউনিয়নের লক্ষীদাড়ী এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে তাসলিমা খাতুন নামে ৫ মাসের এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে খুর দিয়ে গলা কেটে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী যশোর জেলার বেনাপোল এলাকার লোকমান মোড়ল এর ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৪৩) এর বিরুদ্ধে। নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল ১৬ মে রাত সাড়ে ১১ টায় ঘাতক সাদ্দাম হোসেন বাইরে থেকে ঘরে ফিরে তার স্ত্রী তাসলিমা খাতুনকে ডাকেন। তাসলিমা ঘুমিয়ে থাকায় সাড়া দিতে কিছুটা দেরি হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে সাদ্দাম তাকে অন্য একটি ঘরে ডেকে নিয়ে যান এবং ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে খুর দিয়ে নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যান। ঘটনার সময় নিহতের ১২ বছর বয়সী বড় মেয়ে সাদিয়া সুলতানা ও তার ছোট ভাই অন্য ঘরে ঘুমিয়ে ছিল এবং তার মায়ের চেচামেচি শুনে তার ঘুম ভেঙে দেখতে পান তার মাকে তার বাবা গলা কেটে হত্যা করেছে। পরে সাদিয়া তার নানার বাড়িতে ফোন করে বিষয়টি জানালে পরিবারের অন্য সদস্যরা পুলিশে খবর দেন।
নিহতের চাচাতো ভাই আবুল বাসার বলেন, আমার চাচাতো বোন ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন, এটি কেবল একটি হত্যা নয়, এটি আসলে দুটি প্রাণ কেড়ে নেওয়া, আমরা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের হত্যাকারীকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে পারিবারিক কলহের জের ধরেই সাদ্দাম হোসেন তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে খুর দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত আরও তথ্য জানা যাবে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং পলাতক স্বামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
দৈনিক সাতক্ষীরা সব সময় সবার আগে
