
সাতক্ষীরা ডেস্ক:
জালিয়াতির মাধ্যমে পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের অভিযোগ উঠেছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর হিসেবে পরিচিত আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে। জমি অবৈধভাবে দখল নিতে প্রতিপক্ষকে হয়রানির উদ্দেশ্যে একের পর এক মিথ্যা মামলা ও অভিযোগ দায়ের করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
ভুক্তভোগী সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া মাঠপাড়া এলাকার বাসিন্দা মিজানুর রহমান জানান, প্রায় ১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে তার দাবিকৃত ৩১ শতাংশ পৈত্রিক জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। বিষয়টি একাধিকবার স্থানীয়ভাবে শালিসের মাধ্যমে নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হলেও আক্তার হোসেন শালিসের সিদ্ধান্ত অমান্য করে বারবার আদালতে মামলা করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, দেওয়ানি মামলায় পরাজিত হওয়ার পর আক্তার হোসেন তার বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরির মামলা দায়ের করেন। এসব মামলার মধ্যে সিআর মামলা নং ৫৮/২১ ও ৫৬৪/২৩সহ একাধিক মামলা রয়েছে। বিজ্ঞ আদালত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে এসব মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় তা খারিজ করে দেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, আক্তার হোসেন ওয়ারেশ কাম জালিয়াতির মাধ্যমে এক নিঃসন্তান নারীকে স্বত্বাধিকারী বানিয়ে জমি দখলের অপচেষ্টা চালান। বিষয়টি নিয়ে এলাকাভিত্তিক একাধিকবার শালিস বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আক্তার হোসেন প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছেন। অনেকে তার দায়ের করা মামলায় জেলহাজতেও গিয়েছেন বলে দাবি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তিনি চাঁদাবাজিসহ নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। সরকার পরিবর্তনের পরও তিনি প্রভাব বিস্তার করে একইভাবে মানুষকে হয়রানি করে যাচ্ছেন।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী অবিলম্বে আক্তার হোসেনকে গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আক্তার হোসেন বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
দৈনিক সাতক্ষীরা সব সময় সবার আগে
