Breaking News

কালিগঞ্জ উপজেলা জুড়ে ব্যাঙের ছাতার মত ডায়াগনস্টিকের ছড়াছড়ি

Spread the love

হাফিজুর রহমান:সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা জুড়ে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালাতে মানা হচ্ছে না সরকারি কোন নিয়ম নীতি। পরিবেশ অধিদপ্তরের এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অনুমোদন না নিয়ে এখানে শুরু হয় গলাকাটা ব্যবসা। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য মতে উপজেলা জুড়ে ১৬ টি ক্লিনিক এবং ১৭ টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এই সমস্ত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অধিকাংশের নেই নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স। সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা এসব ক্লিনিকে এসে রোগী দেখেন। নার্স সংকট থাকায় বেশির ভাগ ক্লিনিকে আয়া ,ওয়ার্ড বয় দিয়ে নার্সের কাজ করানো হয়। ফলে স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা রোগীরা বাইরে টানানো সাইনবোর্ডের চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে নানান বীড়ম্বনার শিকার হন। ভুল অপচিকিৎসার কারণে সেবা নিতে আসা অসুস্থ রোগীরা লাশ হয়ে বাড়ি ফিরতে হয় বাড়িতে। অধিকাংশ ক্লিনিকে এ ধরনের ঘটনা অহরহ ঘটলেও কোন আইনি পদক্ষেপ না থাকায় পার পেয়ে যায় ক্লিনিক মালিকরা। নাই কেন ভ্যাট ট্যাক্সের যথাযথ কাগজপত্র। যে কারণে সরকার একটি মোটা অংক টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়। বর্তমান স্বাস্থ্য উপদেষ্টা দায়িত্ব গ্রহণের পর এ ব্যাপারে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। ইতোমধ্যে সাতক্ষীরা জেলা সদরের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ম্যাজিস্ট্রেট, র‍্যাবের ঝটিকা অভিযানে ২/১ টি ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেও অধিকাংশ ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলো রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে । অধিকাংশ ক্লিনিক মালিক নাম সর্বস্ব একটি পত্রিকার কার্ড পকেটে নিয়ে নিজেদেরকে সাংবাদিক হিসেবে জাহির করে পার পেয়ে আসছে। অভিযোগ রয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলা সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের যথাযথ মনিটরিং না করায় মালিকরা ইচ্ছেমতো যা খুশি তাই করে যাচ্ছেন। সরকারি হাসপাতালের কিছু চিকিৎসক বিভিন্ন ক্লিনিকের ব্যবসায়িক পার্টনার। তারা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের ক্লিনিকে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। উপায়ান্তর না পেয়ে বাধ্য হয়ে ক্লিনিকে ভর্তি হয়ে গুনতে হয় মোটা অংকের টাকা। অধিকাংশ ক্লিনিক, বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালাল খ্যাত গ্রাম্য ডাক্তাররা মোটা অংকের কমিশনের লোভে রোগী ধরার মিশনে ব্যস্ত থাকে। কালীগঞ্জ উপজেলা জুড়ে ক্লিনিক গুলোতে ডেলিভারি রোগীদের বাগিয়ে এনে ১০ থেকে ১৫/২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ক্লিনিক মালিকদের বিরুদ্ধে। বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিক গুলোর ছত্র ছায়ায় তাদের নিজস্ব আঙ্গিনায় গড়ে উঠেছে ক্লিনিক কাম ডায়াগনস্টিক সেন্টার। রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা, নিরীক্ষা এখানে করা হয়। ২/১ টি ক্লিনিক ছাড়া প্রায় সব ক্লিনিক গুলোতে চিকিৎসক না থাকায় বাইরে থেকে চিকিৎসক এনে মোট অংকের ভিজিট আদায় করে রোগীদের সেবা নিতে বাধ্য করা হয়। এই সমস্ত কারণে উপজেলা জুড়ে ব্যাঙের ছাতার মত মানহীন অনুমোদন বিহীন গজিয়ে উঠেছে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশ পালন করতে দায় ছাড়া ভাবে ২/১ টি ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযানে নামে। পরে অদৃশ্য কারণে গতি কমিয়ে বন্ধ হয়ে যায়। অবস্থা দেখে মনে হয় এই সমস্ত অসাধু বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকদের কাছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জিম্মি। কালিগঞ্জ উপজেলার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কোন হাল নাগাদ বৈধ কাগজপত্র নাই। অথচ বছরের পর বছর মাসোহারা নিয়ে জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা দেখ ভালো করে আসছেন। কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য মতে নলতার সেবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কোন অনুমোদন নাই। নলতা ডায়াবেটিক্স এন্ড জেনারেল হাসপাতালের অনুমোদনের মেয়াদ গত ৩০/৬/২০২৪ তারিখ শেষ হয়েছে এরপরে আর নবায়ন করা হয়নি। নলতার নাহার সার্জিকাল ক্লিনিক অ্যান্ড ডিজিটাল ল্যাবের মেয়াদ ৩০/৬/২৪ ইং তারিখে শেষ হলেও পরে কোন অনুমোদন করা হয়নি। অথচ এ ক্লিনিক মালিক নিজেকে একজন সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে থাকে। সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডাক্তার আ ফ ম রুহুল হকের প্রতিষ্ঠিত নলতা হাসপাতালের অনুমোদনের মেয়াদ গত ৩০/৬/২১ ইং তারিখে শেষ হলেও এরপরে আর কোন অনুমোদন নেওয়া হয়নি। আহছানিয়া মিশন চক্ষু এন্ড জেনারেল হাসপাতালের অনুমোদনের মেয়াদ গত ৩০/৬/২০২৩ ইং তারিখে শেষ হলেও আজও কোন অনুমোদন নেওয়া হয়নি। নলতার আহসানুল্লাহ ক্লিনিকের মেয়াদ গত ৩০/৬/২০১৯ ইং তারিখে শেষ হলেও বর্তমান কোন অনুমোদন নাই। শেরে বাংলা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদনের মেয়াদ গত ৩০/৬/২০১৯ ইং তারিখে শেষ হলেও আর অনুমোদন নেওয়া হয়নি। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাক্তার অনন্যা রানীর মালিকাধীন নলতার হিজলার মোড় নামক স্থানে তার পালিত পুত্র ধৃতি এবং মাসুদুল হকের নামে ইউনিক ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের জন্য অনুমোদনের জন্য আবেদন করা থাকলেও কোন অনুমোদন নাই। নলতার ফ্যামিলি হেলথ কেয়ারের কোন অনুমোদন বা আবেদন নাই। নলতার লাইফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের আবেদন করা থাকলেও অনুমোদন নাই। কালিগঞ্জ বাস টার্মিনাল সংলগ্ন ডাক্তার হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতালের অনুমোদনের মেয়াদ গত ৩০/
৪৬/২৪ ইং তারিখে শেষ হলেও এখনো কোনো অনুমোদন নাই। কালিগঞ্জ সার্জিক্যাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদনের মেয়াদ গত ৩০/৬ /২০১৯ ইং তারিখে শেষ হলেও এখনো কোনো অনুমোদন মেলেননি। যমুনা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদনের মেয়াদ গত ৩০/৬/২০১৮ ইং তারিখে শেষ হলেও আজও পর্যন্ত তার কোন অনুমোদন নাই । তবে ক্লিনিক মালিক শরিফুল ইসলাম নিজেকে একজন সাংবাদিক দাবি করে বহাল তবিয়াদে পরিচালনা করে আসছেন। কিছুদিন আগে এই ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ঝরনা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদনের মেয়াদ গত ৩০/৬/২০১৯ ইং তারিখে শেষ হইলেও আজও পর্যন্ত অনুমোদন অনুমোদন মেলেনি। তবে ক্লিনিক মালিক মিলন নিজে কোন ডাক্তার না হয়েও হর হামেশা সিজার এপেন্ডিসাইডের মতন অপারেশন করে থাকলেও দেখার কেউ নাই। কালীগঞ্জের পাও খালিতে অবস্থিত রিডা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন মেয়াদ গত ৩০/৬/২০২৪ ইং শেষ হলেও এখনো কোনো অনুমোদন নাই । সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের রেডিও টেকনোলজিস্ট জাহাঙ্গীর আলমের মালিকাধীন তার ভাই গোলাম মোস্তফার নামে গত ৩০/৬/২১ তারিখে অনুমোদনের মেয়াদ শেষ হলেও আজও কোন নতুন করে অনুমোদন মেলেননি। সেখানে ডাক্তার মনিরুজ্জামান নামে একজন রোগী দেখার কথা বললেও অধিকাংশ সময় তাকে পাওয়া যায় না । কয়েক মাস আগে রোগীর রক্ত পরীক্ষায় ভুল রিপোর্টের কারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে। কালিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের পাশে আমতলা মোড়ে এ আলী ক্লিনিকের গত ৩০/৬ ২০১৭ ইং তারিখে আবেদন করা থাকলেও কোন অনুমোদন নাই। কৃষ্ণনগরে বন্ধন হাসপাতাল এন্ড ডিজিটাল ল্যাবের অনুমোদন গত ৩০/৬/২৫ শেষ হলেও আর কোন অনুমোদন মেলেনি। কালীগঞ্জের হরমোন ক্লিনিকে কোন অনুমোদন নাই বা আবেদনও করা হয়নি। ক্লিনিগুলোতে সপ্তাহের ছুটির দিনে বাইরে থেকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এনে একাধিক চেম্বার খুলে রোগীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয় মোটা অংকের গলাকাটা ফিশ। অযথা টেস্টের নামে চলে কমিশন বাণিজ্য। কালিগঞ্জের নাজিমগঞ্জ বাজারে সাংবাদিক কাম যমুনা ক্লিনিকের মালিক শরিফুল ইসলাম কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাক্তন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ হাবিবুল্লাহ সাহেবকে খন্ডকালীন সময়ে বসালেও এখানে কোন নিয়ম মাফিক ডাক্তার বা নার্স না থাকায় অদৃশ্য শক্তির জোরে সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বছরের পর বছর চালিয়ে আসছে। শ্যামনগর -কালিগঞ্জ মহাসড়কের পাশে রোকেয়া মুনসুর ডিগ্রী কলেজ সংলগ্ন মনিরুল ইসলাম মিলনের ঝরনা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কোন ডাক্তার বা নার্স না থাকলেও মাসোহারা দিয়ে ঠিকই চালিয়ে আসছেন। মহৎপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের পাশে আবিদ হোসেন ময়নার এ আলি ক্লিনিক কোন ডাক্তার নার্স বা কাগজপত্র ছাড়া চলে আসছে বছর পর বছর। মৌতলা ফ্যামিলি ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনা করে আসলেও তাদের কোন অনুমোদন নাই। উত্তর কালিগঞ্জের আব্দুস সালাম সার্জিক্যাল ক্লিনিক এবং বাস টার্মিনাল সংলগ্নে হযরত আলী আলী ক্লিনিক পরিচালনা হয়ে আসলেও সেখানে কোন ডাক্তার বা নার্স না থাকায় আয়া দিয়ে সব সেবা প্রদান করা হয়। তবে সার্জিক্যাল ক্লিনিকে কালকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাক্তন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ তপন কুমার নিয়মিত রোগী দেখেন। হযরত আলী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ল্যাবে ফজলুল ইসলাম নামে এক রোগীকে এপেন্ডিসাইড অপারেশন শেষে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তার জরায়ুতে ইনফেকশন হয়েছে এমন ভুয়া রিপোর্টের ভিত্তি এবং ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। পূর্ব নলতা হিজলা মোড়ে অবস্থিত সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের ডাঃ অনন্যার মালিকাধীন ইউনিক ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার। সেখানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ শেষ করে বেলা ২ টার থেকে রাত অবধি ডাক্তার অনন্যা রোগী দেখলেও আর কোন ডাক্তার নার্সকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। নলতা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রবেশ দ্বারে লাইভ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালিত হয়ে আসলেও সেখানে কোন ডাক্তার বা নার্স নাই অথচ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাইনবোর্ডের ছড়াছড়ি। এ ছাড়াও নলতা শেরে বাংলা ক্লিনিক, নাহার, ক্লিনিক এন্ড ডায়গনস্টিক সেন্টার , নলতা ডায়াবেটিক হাসপাতাল,নামে একাধিক বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিক চললেও সেখানে নীতিমালা অনুযায়ী কোন ডাক্তার বা ডিপ্লোমা নার্স ও প্যাথলজিস্ট পাওয়া যায়নি। এরপরও উপজেলা জুড়ে গজিয়ে ওঠা অনুমোদন বিহীন মানহীন ব্যাঙের ছাতার মত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক গুলো সাধারণ মানুষদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে চিকিৎসার নামে অপ চিকিৎসা চালিয়ে বছরের পর বছর জনগণকে ধোকায় ফেলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিলেও দেখার কেউ নাই। এ বিষয়ে কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাঃ বুলবুল কবির এ প্রতিনিধিকে জানান ডাক্তার হযরত আলী ক্লিনিকের বিষয়ে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। বাকি অনুমোদনহীন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিষয়ে সিভিল সার্জনের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। সাতক্ষীরা জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ আব্দুস সালামের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান জেলা জুড়ে অনুমোদন বিহীন ক্লিনি ক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের তালিকা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট জমা দেওয়া হয়েছে উনি এটার প্রশাসনিক ভাবে ব্যবস্থা নিবেন। বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে উপজেলা বাসী।

About dainiksatkhira24

Check Also

সাতক্ষীরার দুর্ধর্ষ ডাকাত বাহার আলী ঢাকায় গ্রেফতার

Spread the loveহাফিজুর রহমান : উপ-সহকারী পরিদর্শক আতিকুর রহমান, সহকারি পরিদর্শক সরোয়ার হোসেনের দৃঢ়তায় র‍্যাব-৪ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

HTML Snippets Powered By : XYZScripts.com