
নিউজ ডেস্ক:
রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের আপিল শুনানিতে অংশ নিতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন শামীম হায়দার পাটোয়ারী।
তিনি বলেন, “ভোটের মাঠ অত্যন্ত অনিশ্চিত। যদি সুষ্ঠু ভোট হয় এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকে, তাহলে আমরা ৪০ থেকে ৭০টি আসন পাওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা দেখি।” তিনি আরও বলেন, নির্বাচন করতে গেলে প্রার্থীদের স্বস্তির পরিবেশ অত্যন্ত জরুরি। তুচ্ছ ও কারিগরি ভুলের কারণে অনেক প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় বাধা।
জাতীয় পার্টির এই নেতা অভিযোগ করেন, টেকনিক্যাল গ্রাউন্ডে ব্যাপক হারে মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তবে আপিলেট ট্রাইব্যুনাল উন্মুক্ত মানসিকতা নিয়ে বিষয়গুলো বিবেচনা করছে, যা ইতিবাচক দিক। তিনি বলেন, “রিটার্নিং কর্মকর্তারা যে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন, তা মবতন্ত্রের ভয়ে নিতে পারেননি।”
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে শামীম হায়দার বলেন, ব্যাপক সেনা ও পুলিশ মোতায়েন এবং প্রশাসন শক্তিশালী না করা হলে মানহীন নির্বাচনের আশঙ্কা রয়েছে। এমন নির্বাচন থেকে গঠিত সরকারের ম্যান্ডেট সংকট থাকবে এবং দেশ পরিচালনায় সমস্যা দেখা দেবে। এ অবস্থায় সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি রাজনৈতিক সমঝোতা প্রয়োজন বলে মত দেন তিনি।
জাতীয় পার্টির বিভক্তি ও প্রতীক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জাতীয় পার্টির মূল অংশ জিএম কাদেরের নেতৃত্বে রয়েছে এবং দলীয় প্রতীক লাঙ্গল সেই অংশের অধীনেই আছে। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও জাতীয় পার্টি ২৪৪টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, দেশে বর্তমানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। নির্বাচন কমিশনের উচিত অবিলম্বে প্রশাসনে রদবদল এনে নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করা, যাতে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।