
স্পোর্টস ডেস্ক: চলতি বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে এশিয়া ও আফ্রিকার তিনটি দেশ সফর করবে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। এ সফরে মোট চারটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে তারা। দলটির সঙ্গে সফরে থাকবেন লিওনেল মেসিও। আর্জেন্টিনার শীর্ষ ক্রীড়া দৈনিক ওলে এবং ক্রীড়াভিত্তিক টিভি চ্যানেল টিওয়াইসি স্পোর্টস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্টোবরের ফিফা উইন্ডোতে চীন সফরে যাবে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল। সেখানে তারা দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। তবে চীনে তাদের প্রতিপক্ষ এখনো নির্ধারিত হয়নি।
চীন সফর শেষে নভেম্বর মাসে আফ্রিকার দেশ অ্যাঙ্গোলায় যাবে আর্জেন্টিনা। অ্যাঙ্গোলার স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১১ নভেম্বর নিজেদের মাঠে আর্জেন্টিনাকে আতিথ্য দেবে দেশটি। এ উপলক্ষে সম্প্রতি অ্যাঙ্গোলা ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফার্নান্দো আলভেস সিমোয়েসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া।বৈঠক শেষে সিমোয়েস রেডিও স্টেশন আরএনএ-তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, মেসির অ্যাঙ্গোলা সফরের সম্ভাবনা বেশ উজ্জ্বল। তিনি বলেন, তাপিয়া বৈঠকের সময় সরাসরি মেসিকে ফোন করে ২০০৬ সালের একটি প্রীতি ম্যাচের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। ওই ম্যাচে ইতালিতে অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতেছিল আর্জেন্টিনা।
অ্যাঙ্গোলা সফর শেষে কাতারে যাবে আর্জেন্টিনা দল। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশেই ২০২২ সালে নিজেদের তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছিল তারা। এবার সেখানে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে স্কালোনির দল। কাতার সফরের প্রতিপক্ষও এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
এদিকে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের (কনমেবল) বাছাইপর্বে দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়ে পাঁচ ম্যাচ হাতে রেখেই ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। গত মার্চে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করার দিনই তারা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলকে ৪-১ গোলে হারায়।
বাছাইপর্বে আর্জেন্টিনার বাকি চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে জুন ও সেপ্টেম্বরে। প্রতিপক্ষ—চিলি, কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা ও ইকুয়েডর। এরপর বিশ্বকাপ শুরু হবে ২০২৬ সালের জুনে। তাই এর আগ পর্যন্ত ম্যাচ খেলার মধ্যেই থাকতে চায় দলটি। সেজন্য ফিফা উইন্ডো কাজে লাগিয়ে আগে থেকেই প্রতিপক্ষ নির্ধারণের কাজ করছে এএফএ।
প্রসঙ্গত, কাতার জাতীয় দলের নতুন কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন স্প্যানিশ ট্যাক্টেশিয়ান হুলেন লোপেতেগি। তিনি এর আগে স্পেন জাতীয় দল, রিয়াল মাদ্রিদ, সেভিয়া, পোর্তো, উলভারহ্যাম্পটন এবং ওয়েস্ট হ্যামের কোচ ছিলেন। তার অধীনে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কাতার ম্যাচটি দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।