
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাঁড়ি গ্রামের এক নারীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (মামলা নম্বর: পিটিশন-২০৬/২৫) নারীটি আদালতে ধর্ষণের অভিযোগে একটি পিটিশন দাখিল করেন। মামলাটি আমলে নিয়ে আদালতের বিচারক মোছা. মাফরোজা পারভিন এটি এফআইআর হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেন এবং সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার আসামিরা হলেন কালিগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের গণপতি গ্রামের ফজর আলীর ছেলে কথিত বি এনপি নেতা রিপনুজ্জামান রিপন,তার সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে গণপতি গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে শহীদুল ইসলাম, কালিগঞ্জ বাসটার্মিনাল এলাকার জিয়াদ আলীর ছেলে হাবিবুল্লাহ এবং সাতক্ষীরা সদর উপজেলার জোড়দিয়া গ্রামের রাশেদ আলীর ছেলে শেখ মেহেদী হাসান সহ আরও অজ্ঞাতনামা দুই তিনজন।
অভিযোগে জানা গেছে , ১ এপ্রিল বিকেল ৫টার দিকে রিপনুজ্জামান রিপনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে তিনি কাটিয়া সরকারপাড়ার আশরাফ হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া শহীদুলের বাসায় যান। সেখানে আগে থেকে উপস্থিত সকল আসামি পরিকল্পিতভাবে ধর্ষণ করে, শহীদুল তার কাপড়চোপড় খুলে ফেলে এবং হাবিবুল্লাহ ও মেহেদী তার দুই হাত চেপে ধরে। এরপর রিপন তাকে ধর্ষণ করে এবং বাকি তিনজন ধর্ষণের চেষ্টা করে। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে আসামিরা সুকৌশলে পালিয়ে যায়।
পরে নির্যাতিতা নারী ও সাক্ষীদের কাছ থেকে সকল আসামীরা ১০০ টাকার তিনটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প (নং: গক-৯১৯৫৮৮৬, গক-৯১৯৫৮৮৭ ও গক-৯১৯৫৮৮৮) জোরপূর্বক বাবলুর রহমান ফজর আলী ও কাউয়ুমকে স্ট্যাম্পে সাক্ষর করে নেয়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ্ওসি শামিনুল িইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে ।