জি এম মুজিবুর রহমান : আশাশুনি উপজেলার নওয়াপাড়ায় বেতনা নদী খননের সময় পাশে স্তূপ করে রাখা মাটি অবাধে বিক্রির অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় বুধবার সংবাদ প্রকাশিত হয়। খবর পেয়ে বুধবার সকালে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু ঘটনাস্থান পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় মাটি বহনকাজে ব্যবহৃত ট্রলিগুলো আগে থেকে সটকে পড়ায় সেখানে কোন ট্রলি পাওয়া যায়নি।
পরিদর্শনকালে ইউএনও স্থানীয়দের জানান, পরবর্তীতে কেউ মাটি কাটলে তাঁকে অবহিত করবেন। পাশাপাশি মাটি কাটা ও পরিবহন বিষয়ে নজরদারির দায়িত্ব ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ও সংশ্লিষ্ট সদস্যের ওপর অর্পণ করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর পাড় থেকে মাটি কেটে নেওয়ায় বাঁধ দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি ওয়াপদার রাস্তা, নওয়াপাড়া পুরাতন খেয়াঘাটের ইটের রাস্তা এবং মহেশ্বরকাটি-চাপড়া গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা নদীর পাড় ও সরকারি সড়ক রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এসময় বুধহাটা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, পুলিশের এএসআই আঃ হান্নান, প্রেস ক্লাবের সভাপতি এস কে হাসান, সাংবাদিক ইয়াসিন আরাফাত ড্যানিস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।