জি এম মুজিবুর রহমান: আশাশুনিতে শেখ গোলাম কুদ্দুস ময়নার বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ততার দাবি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রচারের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) আশাশুনি প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে দরগাহপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ এহসান আলী লিখিত বক্তব্যে বলেন, উপজেলা কৃষক লীগের সহ সভাপতি শেখ গোলাম কুদ্দুস ময়না ২০০৯ সাল থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার যে দাবি করেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি ইউনিয়ন বিএনপির কোনো পর্যায়ের সদস্য, মিটিং-মিছিল কিংবা দলীয় কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ছিলেন না বলে দাবি করে এহসান আলী আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ময়নার আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে থাকা ছবিগুলো এআই দিয়ে তৈরি বলে যে দাবি করা হয়েছে, সেটিও মিথ্যাচার। ময়না আওয়ামী লীগ সরকারের সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ছিলেন। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের লিফলেট ও একাধিক ছবি, আওয়ামীলীগ দলীয় কর্মকান্ডের বহু ছবি দেখিয়ে তিনি বলেন, এগুলো কোন এআই ছবি নয়, জীবন্ত আওয়ামী রাজনীতি ও নেতার সান্নিধ্যে যাওয়ার বাস্তব প্রমান। ছবি অস্বীকার করলেই আওয়ামীলীগের দালাল হওয়ার ইতিহাস মুছে ফেলা যাবে না। আশাশুনি-কালিগঞ্জ আসনের ধানের শীষের কান্ডারী, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী আলাউদ্দীন এই কৃষকলীগ নেতাকে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব দিয়েছিলেন কি না তাদের জানানেই দাবী করে তিনি বলেন, আগামী ইউপি নির্বাচনে এসব ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের দোসরদের বিএনপির নমিনেশন পাইয়ে দেওয়ার যে দিবাস্বপ্ন দেখছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা তা সফল হতে দেবেনা। ২০০৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দরগাহপুর ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন শেখ জুলফিকর আলী। ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করে দরহাহপুর ইউনিয়ন বিএনপিকে সুসংগঠিত করেছেন-তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতা শেখ তারিকুল বাশির। আগামী নির্বাচনে তিনি পদপ্রার্থী এবং বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী উল্লেখ করে এহসান আলী তার বক্তব্যে ময়নার এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।